অদ্বিতী ইরা

করোনা পরিস্থিতির কারণে পুরো বিশ্বের মানুষের শুধু যে প্রাণ সংকটে পরেছে তাই নয়, এর সঙ্গে মাথা চাড়া দিয়ে উঠেছে আর্থিক সংকট। এই পরিস্থিতিতে সমাজের প্রতি দায়িত্ববোধ থেকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিচ্ছেন প্রতিটি দেশের তারকারা।

ভারত এবং বাংলাদেশের বহু তারকাই এগিয়ে এসেছেন নিজ নিজ দেশের সুবিধা বঞ্চিত মানুষদের পাশে দাঁড়াতে। এছাড়া করোনা মোকাবিলায় সরকারের তহবিলেও সেলিব্রিটিদের অবদান নেহাত কম নয়।

বলিউড অভিনেতা অক্ষয় কুমার ভারতের প্রধানমন্ত্রীর করোনা তহবিলের জন্য দান করেছেন ২৫ কোটি রুপির বড় অঙ্ক। অক্ষয় কুমারের এই সিদ্ধান্তের বিষয়ে তার স্ত্রী টুইঙ্কেল খান্না টুইটারে টুইট করেন যে, “আমি আর এই মানুষটিকে নিয়ে গর্ববোধ করছি। আমি তাকে প্রশ্ন করেছিলাম যে, সে আসলেও এতো বড় অঙ্ক দান করতে চায় কি না। কারণ এই পরিমান অর্থ দান করতে হলে আমাদের বেশ কিছু জমানো সম্পদ লিকুইডেট করতে হবে। সে আমাকে উত্তর দেয়, আমি যখন শুরু করেছিলাম, আমার হাতে কিছুই ছিলো না। এই পরিস্থিতিতে যাদের কিছুই নেই তাদের জন্য আমি কিছু না করে তো থাকতে পারি না!”

দানের পরিমান উল্লেখ না করলেও ’কিং খান’ খ্যাত অভিনেতা শাহরুখ খান তার  ক্রিকেট টিম নাইট রাইডার্স ও প্রযোজনা সংস্থা রেড চিলিজের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীর করোনা তহবিলে অর্থ দান করেছেন। এছাড়া শাহরুখ তার ‘মীর ফাউন্ডেশন’-এর পক্ষ থেকে ৫০ হাজার পিপিই  কিট দিচ্ছেন পশ্চিমবঙ্গ আর মহারাষ্ট্রের হাসপাতালগুলোতে। এছাড়াও ভিক্ষুখ, ভবঘুরে এবং দিন মজুর পরিবারের খাবার সরবরাহ করার দায়িত্ব নিয়েছেন শাহরুখ।

প্রায় ২৫ হাজার সিনেমা-কর্মীর জন্য সাহায্যের হাত বাড়িয়েছেন সালমান খান। ভারতীয় চলচ্চিত্রের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট এই কর্মীদের করোনার লকডাউনের সময় ভরণপোষণের দায়িত্ব নিচ্ছেন তিনি।

দক্ষিণী চলচ্চিত্রের কিংবদন্তী অভিনেতা রজনীকান্ত প্রধানমন্ত্রীর তহবিলে দান করেছেন ৫০ লাখ রুপি। পাশাপাশি, দক্ষিণ ভারতীয় চলচ্চিত্রে কর্মরত দিনমজুরদের জন্যেও অর্থ সাহায্য করেছেন তিনি।

অভিনেত্রী শিল্পা শেঠি এবং তার স্বামী রাজ কুন্দ্রা প্রধানমন্ত্রীর তহবিলে দান করেছেন ২১ লাখ রুপি।

দক্ষিণী চলচ্চিত্রের অভিনেতা প্রভাষ করোনা তহবিলে দান করেছেন ৪ কোটি রুপি।

এছাড়াও ক্যাটরিনা কাইফ, প্রিয়াঙ্কা চোপড়া ও নিক জোনাস, অনুষ্কা শর্মা ও বিরাট কোহলি, কারিনা কাপুর ও সাইফ আলী খান, কঙ্গনা রানাওয়াত, সানি দেওল সহ অন্যান্য তারকারাও এই তহবিল গঠনে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন।

Adity Era, an accountant by profession; a writer by passion. Books and good movies give me the tools to build my fantasy world; good music fuels my thoughts. I breathe in the uncontaminated air from the window seat of a running bus to ease life; to touch the dreams.