কোভিড ১৯ ছড়িয়ে পড়া রোধে লকডাউনের কারণে কর্মহীন হয়ে পড়েছে বহু সংখ্যক মানুষ। বেশি সমস্যায় ভুগছে নিম্নবিত্ত এবং নিম্ন মধ্যবিত্ত মানুষগুলো। এই সমস্যা মানুষদের সাহায্য করতে এগিয়ে এসছে ক্রিকেট তারকা সাকিবের ‘দ্য সাকিব আল হাসান ফাউন্ডেশন’।
বর্তমান পরিস্থিতি কতটুকু ভয়াবহ তা অনুমান করতে এখন আর কারও তেমন কষ্ট হওয়ার কথা না। এই সময় নিজের এবং পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তাই যুক্তরাষ্ট্রে গিয়েও পরিবারের সঙ্গে না থেকে নিজেকে কোয়ারেন্টিনে রেখেছিলেন এই তারকা ক্রিকেটার।
তবে দূরে থেকেও দেশের সুবিধাবঞ্চিত মানুষদের জন্য সহযোগিতার জন্য এগিয়ে এসেছেন ‘দ্য সাকিব আল হাসান ফাউন্ডেশন’ নিয়ে। তার এই কার্যক্রমে সহযোগিতা করতে এগিয়ে এসেছে ‘মিশন সেইভ বাংলাদেশ’ নামে একটি প্রতিষ্ঠান, এমনটাই নিজের অফিশিয়াল ফেইসবুক পেইজের মাধ্যমে জানিয়েছেন সাকিব।
করোনার কারণে অর্থনৈতিক ক্ষতির পরিমান সম্পর্কে নিশ্চিত বলা না গেলেও তা যে নেহাত কম নয় সে সম্পর্কে ধারণা করা খুব কঠিন কিছু নয়। দিন মজুর এবং সাধারণ চাকুরিজীবিদের জন্য এই সময়টি খুবই কষ্টকর। তাদের সাহায্য করার জন্যই  ‘দ্য সাকিব আল হাসান ফাউন্ডেশন’ দেশ এবং সারাবিশ্বের বিভিন্ন ব্যক্তি ও সংস্থা থেকে ফান্ড উত্তোলনের পদক্ষেপ গ্রহন করেছে। এই ফান্ড ব্যবহার করা হবে করোনাভাইরাসের কারণে প্রভাবিত সুবিধাবঞ্চিত মানুষদের সাহায্যে।
‘মিশন সেইভ বাংলাদেশ’, প্রোজেক্টটির মূল উদ্দেশ্য, করোনাভাইরাসের কারণে প্রভাবিত নিম্ন-আয়ের এবং সুবিধাবঞ্চিত মানুষ এবং পথ শিশুদের সাহায্য করা।
শুধু খাদ্য ও জীবিকা নয় করোনা সনাক্তকরণ কিট সরবরাহ করার উদ্যোগ নিয়েছে ‘দ্য সাকিব আল হাসান ফাউন্ডেশন। আর তাদের এই উদ্দেশ্য সফল করতে সাহায্যের জন্য এগিয়ে এসেছে কনফিডেন্স গ্রুপ। এই কাজের জন্য প্রায় ২০ লাখ টাকার তহবিল সংগ্রহ করে দিয়েছে এই শিল্পগোষ্ঠী।
এই বিষয়টি নিশ্চিত করে সাকিব নিজে তার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জানান। তিনি জানান এই অর্থ দিয়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে করোনা চিহ্নিতকরণ কিট সরবরাহ করা হবে। পাশাপাশি তারা দারিদ্রপিড়িত মানুষদের সাহায্যের জন্যও কাজ করবেন বলে জানান।
সাকিব তার পেইজের মাধ্যমে আরও অন্যান্য প্রতিষ্ঠান এবং সামর্থবানদের সাহায্যের জন্য এগিয়ে আসার অনুরোধ জানান।

Adity Era, an accountant by profession; a writer by passion. Books and good movies give me the tools to build my fantasy world; good music fuels my thoughts. I breathe in the uncontaminated air from the window seat of a running bus to ease life; to touch the dreams.