অদ্বিতী ইরা

গত মার্চ মাসের মাঝামাঝি সময় অস্ট্রেলিয়ার গোল্ড কোস্টে অবস্থানকালে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হন হলিউড তারকা টম হ্যাঙ্কস ও তার স্ত্রী রিটা উইলসন। দুই সপ্তাহ সেখানেই কোয়ারেন্টিনে থেকে সুস্থ হয়ে লস অ্যাঞ্জেলসে ফিরে যান এই সেলিব্রিটি দম্পতি।

বছরের শুরুতে এলভিস প্রিসলির জীবনী নিয়ে একটি সিনেমার শুটিংয়ের জন্য এই দম্পতি অস্ট্রেলিয়ার গোল্ড কোস্টে যান। সেখানেই এই ভাইরাসে আক্রান্ত হন অস্কার জয়ী এই অভিনেতা ও তার স্ত্রী। ঠান্ডা, জ্বরের লক্ষণ দেখা দেওয়ার পরপরই এই দম্পতি তাদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করান। এই বিষয়ে হ্যাঙ্কস তার  ইন্সটাগ্রামে এক পোস্টে জানান।

ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে হ্যাঙ্কস ও তার স্ত্রী সংগীত শিল্পী রিটা উইলসন হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। অবস্থার কোনো অবনতি না হওয়ায় ১৭ মার্চ তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল। তবে তারা ‘সেলফ কোয়ারেন্টিন’ অবস্থায় ছিলেন আরও বেশ কিছুদিন।

এক বিবৃতিতে টম হ্যাঙ্কস জানান, তার অভিনীত ‘কাস্ট অ্যাওয়ে’ ছবিতে দ্বীপে আটকা পড়ে একাকী জীবন কাটানোর সেই কাহিনির মতোই কেটেছে সেলফ কোয়ারেন্টিনে থাকা দিনগুলো। তবে সিনেমার কাহিনীর মতো একা নয়,  সঙ্গে স্ত্রীকে সঙ্গে পেয়েছেন এই কঠিন সময়ে।

কেমন কেটেছে এই অভিনেতার কোয়ারেন্টিন জীবন, এই বিষয়ে নিজের ইন্সটাগ্রামে আপডেট দেন দ্য ফরেস্ট গাম্প খ্যাত এই অভিনেতা।

এই বিষয়ে ইন্সটাগ্রামের একটি পোস্টে টম হ্যাঙ্কস লেখেন, “করোনাভাইরাস আক্রান্ত হবার পর ‘সেল্ফ আইসোলেইশন’-এ থাকা অবস্থায় শারীরিক অবস্থার ও লক্ষণে তেমন কোনো পরিবর্তণ আসেনি। জ্বর নেই।”

পুরানো একটি ‘করোনা’ ব্র্যান্ডের টাইপ রাইটারের ছবি তিনি তার ইন্সটাগ্রামে পোস্ট করেন। ছবির ক্যাপশনে লেখেন, “কাপড় গুছিয়ে রাখা, বাসন পরিষ্কার করা এবং সোফায় ঘুমিয়ে সময় কাটাচ্ছি। খারাপ খবর হচ্ছে আমার স্ত্রী রিটা উইলসন কার্ড খেলে আমাকে টানা ছয়বার হারিয়ে দিয়েছে। আর আমি শিখেছি রুটিতে ‘ভেজমিট’ সঠিক পুরুত্বে মাখাতে। সঙ্গে আমার প্রিয় টাইপ রাইটারটা নিয়ে এসেছিলাম, এটা ব্যবহার করতে ভালোই লাগছে। আমরা সবাই একসঙ্গে আছি। মহামারীর মাত্রা কমিয়ে আনবই।”

এই দম্পতি গত ২৭ মার্চ একটি প্রাইভেট জেটে লস অ্যাঞ্জেলসে ফিরে যান।

Adity Era, an accountant by profession; a writer by passion. Books and good movies give me the tools to build my fantasy world; good music fuels my thoughts. I breathe in the uncontaminated air from the window seat of a running bus to ease life; to touch the dreams.