হুমায়ুন ফরীদি ছিলেন বাংলাদেশের নাট্যচর্চার অন্যতম পুরোধা ব্যক্তিত্ব। অসাধারণ অভিনয়ের মাধ্যমে দর্শকদের সামনে নিজের অনন্য এক আত্মপরিচয় গড়ে তুলেছিলেন তিনি।
নিজের কয়েক দশকের কর্মময় জীবনে অসংখ্য বৈচিত্র্যময় চরিত্রে অভিনয় করেছেন ফরীদি । মঞ্চ, টিভি ও সিনেমায় তাঁর অভিনয় স্বকীয় বৈশিষ্ট্যে নিজস্বতা অর্জন করে। বেঁচে থাকলে তিনি আজ ৬৫ বছরে পা দিতেন।

শক্তিমান এ অভিনেতার জন্মদিনে আজ জেনে নেব তাঁর সম্পর্কে অজানা ১২ তথ্য
- হুমায়ুন ফরীদির নামের ‘ফরীদি’ অংশটুকু উনার মা ফরিদা ইসলামের নাম থেকে নেওয়া।
- মঞ্চে প্রথম অভিনয় করেন মাদারীপুরে, নাটকের নাম ছিল ‘মুখোশ যখন খুলবে’।
- ইন্টারমিডিয়েট পাশের পর হুমায়ুন ফরীদি ৫ বছর পড়াশোনা না করে ঘুরে বেড়িয়েছেন।
- হুমায়ুন ফরীদির প্রথম থিয়েটার দলের নাম ঢাকা থিয়েটার।
- ঢাকা থিয়েটারে যোগ দেওয়ার পর অভিনয় করা প্রথম নাটক- শকুন্তলা। অভিনয় করেন তক্ষক চরিত্রে।
- মঞ্চে অভিনয়ের ইতি টানেন ১৯৯২ সালে।
- টেলিভিশনে অভিনীত প্রথম নাটক আতিকুল হক চৌধুরীর পরিচালনায় ‘নিখোঁজ সংবাদ’।
- মঞ্চ ও টেলিভিশন উভয় মাধ্যমে ফরীদি একসাথে কাজ করেছেন ১০ বছর।
- বিটিভিতে প্রদর্শিত সংশপ্তক নাটকের কান কাটা রমজান চরিত্রটি ফরীদিকে বাঙলা নাট্যামোদী দর্শকের কাছে ব্যাপক পরিচিতি এনে দেয়।
- হুমায়ুন ফরীদি চলচ্চিত্রে খলনায়কের অভিনয় করে ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করেন। তাঁর অভিনীত প্রথম বাণিজ্যিক চলচ্চিত্র ‘দিনমজুর’, মুক্তিপ্রাপ্ত প্রথম বাণিজ্যিক সিনেমা ‘সন্ত্রাস’- দু’টি সিনেমাই শহীদুল ইসলাম খোকন পরিচালনা করেন। অবশ্য বড় পর্দায় প্রথম অভিনয় করেন ১৯৮৫ সালে শেখ নিয়ামত আলীর ‘দহন’ চলচ্চিত্রে।
- ২০১২ সালে মৃত্যুর আগপর্যন্ত হুমায়ুন ফরীদি অভিনয় করেছেন শতাধিক চলচ্চিত্রে।